নামাযের দাঁড়ানোর সুন্নাত সমূহ
নামাযে দাঁড়ানো অবস্থায় উভয় পায়ের আঙ্গুল সমূহ কিবলামুখী করে রাখাঃ
عن أبی ہریرۃ ؓ أن رجلا دخل المسجد ورسول اللہ ۔ﷺ۔ جالس فی ناحیۃ المسجد۔ فصلی‘ ثم جاء فسلم علیہ فقال لہ رسول اللہ ۔ ﷺ۔ وعلیک السلام‘ ارجع فصل‘ فانک لم تصل‘ فرجع فصلی‘ ثم جاء فسلم‘ فقال : وعلیک السلام فارجع فصل‘ فانک لم تصل‘ فقال فی الثانیۃ أو فی التی بعدہا علمنی یا رسول اللہ! فقال : إذا قمت إلی الصلاۃ فأسبغ الوضوء ثم استقبل القبلۃ فکبر الخ۰
رواہ البخاری فی ’’صحیحہ‘‘ ۴/۱۵۸۰ ( ۶۲۵۱) کتاب الاستئذان‘ باب من ردّ فقال : علیک السلام.
অর্থ: হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি এমতাবস্থায় মসজিদে প্রবেশ করল যখন প্রিয় নবী ﷺ মসজিদের এক কোনে বসা ছিলেন। তারপর লোকটি নামায আদায় করল । অনন্তর, সে প্রিয় নবী ﷺ এর কাছে এসে সালাম দিল। প্রিয় নবী ﷺ তাকে বললেন: ওয়া ‘আলাইকাস্সালাম । তার পর বললেন: তুমি আবার যেয়ে নামায পড়ো, কেননা তোমার নামায পরিপূর্ণভাবে হয়নি। তারপর সে ফিরে গিয়ে পূণঃ নামায পড়লো। এরপর এসে সালাম দিল। প্রিয় নবী ﷺ বললেন: ওয়া‘আলাইকাস্সালাম। তুমি আবার নামায় পড়ে আস, কারণ তোমার নামায পরিপূর্ণভাবে হয়নি। লোকটি দ্বিতীয়বার বা তার পরের বার আরজ করল ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আপনি আমাকে শিখিয়ে দিন প্রিয় নবী ﷺ এবার বললেনঃ তুমি যখন নামায পড়ার ইচ্ছা পোষণ করবে তখন তুমি উত্তম রূপে উযূ করবে তারপর কিবলামুখী হবে। তারপর তাকবীরে তাহরীমা বলবে। সূত্র: বুখারী শরীফ ৪/১৫৮০ (৬২৫১)
উল্লেখ্য যে, এ হাদীসে নামাযের পূর্বে কিবলামুখী হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ নির্দেশের ব্যাপকতার মধ্যে পায়ের আঙ্গুলসমূহকেও কিবলামুখী করে রাখা অন্তর্ভুক্ত। কেননা এ নির্দেশকে পরিপূর্ণভাবে তখনই পালন করা হবে যখন প্রতিটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গ সহ মুসল্লী কিবলামুখী হবে। তাছাড়া ইমাম বুখারী রহ. বুখারী শরীফের মধ্যে একটি অধ্যায় কায়েম করেছেন
(با ب فضل ا ستقبا ل القبلة يستقبل بأ طرا ف رجليه)
অর্থাৎ, কিবলামুখী হওয়ার ফযীলত ও পায়ের আঙ্গুলসমূহ কিবলামুখী করে রাখবে । এ বিষয়টি হযরত আবূ হুমাইদ রাযি. প্রিয় নবী ﷺ থেকে বর্ণনা করেছেন ।
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi


