Header Ads

জানাযার নামাযে সূরা ফাতিহা জানাযার নামাযে সূরা ফাতিহা কিরাআত হিসেবে পড়া যাবে নাঃ عن أبی أمامۃ بن سہل بن حنیفؓ کان من کبراء الأنصار وعلمائهم و أبناء الذین شہدوا بدرا مع رسول اللہ ۔ ﷺ ۔ أخبرہ رجال من أصحاب رسول اللہ ۔ ﷺ ۔ فی الصلا ۃ علی الجنازۃ أن یکبر الإمام ثم یصلی علی النبی ۔ ﷺ ۔ و یخلص الصلاۃ فی التکبیرات الثلاث ثم یسلم تسلیما خفیا حین ینصرف و السنۃ أن یفعل من ورائه مثل ما فعل إمامہ. رواہ الحاکم فی ’’ المستدرک ‘‘ ۱/ ۳۶۰ (۱۳۳۱) قال الحاکم : ہذا حدیث صحیح علی شرط الشیخین و لم یخرجاہ. و قال الذہبی : علی شرطہما. অর্থ: আনসারী একজন বড় আলেম ও বিজ্ঞ ব্যক্তি হযরত আবূ উমামা ইবনে সাহল ইবনে হুনাইফ রহ. যিনি প্রিয়নবী ﷺ এর সাথে বদর যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারী সাহাবায়ে কিরামের সন্তানদের অন্যতম, তাঁকে প্রিয়নবী ﷺ এর সাহাবীদের রাযি. একটি জামা‘আত জানাযার নামাযের ব্যাপারে এমর্মে সংবাদ প্রদান করেছেন যে, ইমাম প্রথমে তাকবীর বলবে (তারপর ছানা পড়বে) অতঃপর পরবর্তী তিন তাকবীরে অর্থাৎ ২য় ও ৩য় তাকবীরের পর দুরূদ শরীফ ও খালেস দু‘আ পড়বে। অতঃপর যখন নামায থেকে বের হবে তখন হালকা ভাবে সালাম ফিরাবে। আর সুন্নাত হল মুক্তাদীগণও তাই করবে যা তার ইমাম করেছে। সূত্র: মুস্তাদরাকে হাকিম ১/৩৬০ (১৩৩১) ইমাম হাকিম রহ. হাদীসটি বর্ণনা করার পর বলেন যে, হাদীসটি সহীহ, এতে বুখারী রহ. ও মুসলিমের রহ. শর্ত পাওয়া গিয়েছে। যদি ও তারা হাদীসটি তাদের কিতাবে উল্লেখ করেননি। ইমাম যাহাবী রহ. ও হাকিমের সাথে একমত পোষণ করেছেন। উল্লেখ্য যে, আলোচ্য হাদীসে জানাযার মধ্যে শুধু দুরূদ ও দু‘আর কথা উল্লেখ রয়েছে, সূরা ফাতিহার কথা উল্লেখ নেই এবং এতটুকুকেই ইমাম ও মুক্তাদীর জন্য সুন্নাত বলে অভিহিত করা হয়েছে। কোন কোন হাদীসে যে সূরা ফাতিহা পড়ার কথা উল্লেখ পাওয়া যায় তার অর্থ হল সীনা বা দু‘আ হিসাবে তা পড়া, কিরাআত হিসাবে নয়। অপর এক হাদীসে হযরত নাফে রহ. হযরত ইবনে উমর রাযি. থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি জানাযার নামাযে কিরা‘আত পড়তেন না। সূত্র: মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা ২/৪৯২ মুআত্তায়ে মালেক পৃষ্ঠা-৭৯ হাদীসটির সনদ সহীহ। অনুরূপভাবে হযরত আবূ হুরাইরা রাযি. থেকে সহীহ সনদে জানাযা নামাযের পদ্ধতি বর্ণনা প্রসঙ্গে শুধু তাকবীর দু‘আ ও দুরূদের কথাই উল্লেখ আছে। সূত্র: মুআত্তা মালেক পৃষ্ঠা-৭৯ https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi
Blogger দ্বারা পরিচালিত.